শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৪:৩৫ পিএম, ২০২৬-০৮-১৬
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম কুরুকপাতা ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ম্রো সম্মেলন-২০২৬’। আলীকদম সেনা জোনের ব্যবস্থাপনায় রোববার (১৬ আগস্ট) আয়োজিত এ সম্মেলনে ম্রো জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নসহ এলাকার নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সেনা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি; নবাগত জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফরহাদুর রহমান, পিএসসি এবং আলীকদম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম।
এ সময় কুরুকপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাতপুং মুরুং, মুরুং নেতা মেনদন মুরুং, ইয়ংলক মুরুং, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, পিছিয়ে থাকা ম্রো জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও আর্থসামাজিক অগ্রগতিতে সরকার ও সেনাবাহিনী সমন্বিতভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আলীকদম ও লামা উপজেলার দরিদ্র ও অনাথ শিশু-কিশোরদের শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।
তিনি বলেন, স্থানীয় ম্রো কমপ্লেক্সে থাকা-খাওয়ার সুযোগসহ শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। অতীতে এ অঞ্চলে সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় ম্রো জনগোষ্ঠীর সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
বিদায়ী আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক বলেন, আলীকদম ও লামা উপজেলার শান্তি, সম্প্রীতি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আলীকদম জোন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এ প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং মুরুং বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় ম্রো জনগোষ্ঠী স্থানীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একসময় সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে এ অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও যোগাযোগব্যবস্থা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে সড়ক যোগাযোগ সম্প্রসারণের ফলে মানুষের জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে।
তিনি বলেন, নবনির্মিত ‘আলীকদম-পোয়ামুহুরী সড়ক’ পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। শান্তি ও উন্নয়নের এ ধারা আরও বেগবান করতে সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, কৃষি ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনা শেষে ম্রো জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, পাহাড়ে শান্তি-সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ‘ম্রো সম্মেলন-২০২৬’-এর সমাপ্তি হয়।
রাউজান প্রতিনিধি : : পানি সম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন চট...বিস্তারিত
রাউজান প্রতিনিধি : : চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দক্ষিণ রাউজানের বানিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র নোয়াপাড়া পথেরহাট চত্বরে মাদ...বিস্তারিত
চকরিয়া প্রতিনিধি : : চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাশেদা বেগম (৩...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে বিষাক্ত গ্যাসে আ...বিস্তারিত
রাউজান প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)—এর ২০২৪ ব্যাচের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : তাসাউফ ভিত্তিক সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন বাব-উল-এহসান এর সম্মানিত উপদেষ্টা, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited